নমস্কার বন্ধুরা আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের ওয়েব সাইটে বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের জানিয়ে দেব আজকের পুরাতন স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে অর্থাৎ বন্ধুরা বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি বা বাজুস নির্ধারিত বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী আজকের পুরাতন স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে চলছে তা আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করব। বন্ধুরা আপনাদের অনুরোধ করছি আপনারা আজকের পুরাতন স্বর্ণের মূল্য কত তা জানতে অবশ্যই আমাদের এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

বন্ধুরা এখানে আমি আপনাদের বর্তমান বাংলাদেশের পুরাতন স্বর্ণের মূল্য অর্থাৎ ট্রাডিশনাল গোল্ডের মূল্য প্রতি গ্রাম,প্রতিরতি, প্রতি আনা, প্রতি ভরি ও বিভিন্নজনের কত চলছে বর্তমান বাংলাদেশের দাম তা আপনাদের জানিয়ে দেবো তো বন্ধুরা আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি আপনারা আমাদের এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়বেন। চলুন বন্ধুরা দেখে নেয়া যাক বর্তমান বাংলাদেশের পুরাতন স্বর্ণের দাম কত।
আজকের পুরাতন স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে
| ওজনের একক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি গ্রাম | ১৩,২৬০ টাকা |
| প্রতি ভরি | ১,৫৪,৬৯১ টাকা |
| প্রতি আনা | ৯,৬৬৮ টাকা |
| প্রতি রতি | ১,৬১১ টাকা |
২২ ক্যারেট,২১ ক্যারেট এবং ১৮ ক্যারেট পুরাতন স্বর্ণের দাম (প্রতি গ্রাম
পুরাতন সোনা বিক্রয় নিয়ম অনুযায়ী ১৫% বাদ দিয়ে ২২ ক্যারেট,২১ ক্যারেট,১৮ ক্যারেট ও পুরাতন স্বর্ণের মূল্য প্রতি গ্রাম প্রতি ভরি প্রতি আনা ও প্রতিরতিতে কত তো চলুন দেখে নেয়া যায়।
22 ক্যারেট পুরাতন স্বর্ণের দাম কত today
| ওজনের একক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি গ্রাম | ১৬,৫২৮ টাকা |
| প্রতি ভরি | প্রায় ১,৯২,৮৬৪ টাকা |
| প্রতি আনা | প্রায় ১২,০৫০ টাকা |
| প্রতি রতি | প্রায় ২,০০৮ টাকা |
২১ ক্যারেট পুরাতন সোনার দাম ২০২৬ বাংলাদেশ
| ওজনের একক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি গ্রাম | ১৫,৭৭৬ টাকা |
| প্রতি ভরি | প্রায় ১,৮৪,০৯৭ টাকা |
| প্রতি আনা | প্রায় ১১,৫০১ টাকা |
| প্রতি রতি | প্রায় ১,৯১৭ টাকা |
১৮ ক্যারেট পুরাতন সোনার দাম ২০২৬ বাংলাদেশ
| ওজনের একক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি গ্রাম | ১৩,৫২৪ টাকা |
| প্রতি ভরি | প্রায় ১,৫৭,৭৯০ টাকা |
| প্রতি আনা | প্রায় ৯,৮৬১ টাকা |
| প্রতি রতি | প্রায় ১,৬৪৩ টাকা |
পুরাতন গহনা সোনা (বাজুস নির্ধারিত)
| ওজনের একক | মূল্য (টাকা) |
|---|---|
| প্রতি গ্রাম | ১১,২৭১ টাকা |
| প্রতি ভরি | প্রায় ১,৩১,৪৮৭ টাকা |
| প্রতি আনা | প্রায় ৮,২১৭ টাকা |
| প্রতি রতি | প্রায় ১,৩৬৯ টাকা |
আজকের পুরাতন স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে
বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি বা বাজুস নির্ধারিত বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী আজ পুরাতন স্বর্ণের মূল্য প্রতি গ্রামে ১৩,২৬০ টাকা এবং পুরাতন স্বর্ণের মূল্য প্রতি ভরিতে মূল্য ১,৫৪,৬৯১ টাকা এবং পুরাতন স্বর্ণের মূল্য প্রতি আনায় ৯,৬৬৮ টাকা এবং পুরাতন স্বর্ণের মূল্য প্রতি রতিতে ১,৬১১ টাকা।
বাংলাদেশে পুরাতন গহনা স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ একটি নির্দিষ্ট নিয়মে করা হয়। সাধারণত বাজুস (BAJUS) এবং স্থানীয় বাজারের প্রক্রিয়াকে অনুসরণ করে এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়। নিচে সহজভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো:
বাংলাদেশে পুরাতন গহনা স্বর্ণের মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হয়
স্বর্ণের বিশুদ্ধতা (ক্যারেট) পরীক্ষা
পুরাতন গহনা বিক্রি করার সময় প্রথমে গহনার ক্যারেট (যেমন 22K, 21K, 18K) নির্ণয় করা হয়।
ক্যারেট পরীক্ষা করার উপায়:
- অ্যাসিড টেস্ট
- ইলেকট্রনিক গোল্ড টেস্টার
- এক্স-রে ফ্লোরোসেন্স (XRF) মেশিন (সবচেয়ে নির্ভুল)
গহনার নেট ওজন নির্ধারণ
স্বর্ণ বিক্রির আগে গহনা থেকে:
- পাথর
- মেটাল
- লক
- মিনি
- অন্যান উপাদান
আলাদা করে নেট স্বর্ণের ওজন বের করা হয়।
উদাহরণ:
গহনার মোট ওজন 10 গ্রাম হলে
পাথর = 2 গ্রাম
নেট স্বর্ণ = 8 গ্রাম
দৈনিক স্বর্ণের বাজারদর (BAJUS Rate) অনুসরণ
প্রতিদিন বাজুস নতুন দাম ঘোষণা করে —
✓ 22K
✓ 21K
✓ 18K
✓ পুরাতন গহনা (old gold) প্রতি গ্রাম
পুরাতন স্বর্ণ সাধারণত নতুন স্বর্ণের চেয়ে কম দামে কেনা হয়, কারণ পরিশোধন খরচ বাদ দেওয়া হয়।
পুরাতন স্বর্ণ কেনার কাটতি (Deduction)
বাংলাদেশের স্বর্ণকাররা সাধারণত প্রতি গ্রামে ৫০–২০০ টাকা পর্যন্ত কাটতি রাখে।
এটি নির্ভর করে—
- দোকান
- গহনার কারিগরি অবস্থা
- ক্যারেট
- বাজার পরিস্থিতি
মূল্য নির্ধারণের সূত্র
নেট স্বর্ণের ওজন (গ্রাম) × প্রতি গ্রামের পুরাতন স্বর্ণের দাম
যদি দোকান কাটতি নেয়, তাহলে:
(নেট ওজন × বাজারদর) – কাটতি = চূড়ান্ত মূল্য
📌 উদাহরণ হিসাব
ধরি আজ পুরাতন স্বর্ণের দাম — ১১,৭৬১ টাকা/গ্রাম
গহনার নেট ওজন — ৮ গ্রাম
তাহলে মূল্য:
৮ × ১১,৭৬১ = ৯৪,০৮৮ টাকা
যদি দোকান ১০০ টাকা/গ্রাম কাটতি নেয়:
(৮ × ১১,৭৬১) – (৮ × ১০০)
= ৯৪,০৮৮ – ৮০০
= ৯৩,২৮৮ টাকা
বন্ধুরা আপনারা যদি আজকে বাংলাদেশ সহ আরো বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের মূল্য কত চলছে তা জানতে চান তাহলে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে দেখে নিন।
বন্ধুরা আশা করি আপনারা বর্তমান বাংলাদেশে পুরাতন স্বর্ণের মূল্য অর্থাৎ পুরাতন সোনার মূল্য কত চলছে তা বিস্তারিত জানতে পেরেছেন বন্ধুরা আপনারা যদি অন্যান্য বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি স্বর্ণের মূল্য বিভিন্ন একককে জানতে চান নিচের লিংক দেওয়া আছে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে দেখে নিন।
বন্ধুরা আপনারা যদি আজকে বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের মূল্য জানতে চান তাহলে বন্ধুরা আপনাদের সুবিধার্থে নিচে লিংক দেয়া আছে আপনারা সেই লিংকে ক্লিক করে দেখে নিন।
বন্ধুরা আশা করি আপনারা বর্তমান বাংলাদেশের পুরাতন সোনার দাম কত তা বিস্তারিত জানতে পেরেছেন বন্ধুরা আমাদের দেয়া তথ্যটি আপনাদের কাছে ভালো লাগলে আপনাদের কাছে অনুরোধ করব আপনারা এই পোস্টটি শেয়ার করে দেবেন আপনার বন্ধু-বান্ধবের সাথে এবং আপনাদের কোন জায়গায় বুঝতে অসুবিধা হলে নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না এবং প্রতিদিন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের মূল্য এবং বিভিন্ন দেশের টাকার রেট বাংলাদেশী টাকায় জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে ভুলবেন না।
পুরাতন সোনার দাম কত?
এখন সোনার দাম প্রতি গ্রামে ১৩,২৬০ টাকা।
পুরাতন সোনার দাম প্রতি ভরিতে কত?
পুরাতন সোনার দাম প্রতি ভরিতে বর্তমান বাংলাদেশ ১,৫৪,৬৯১ টাকা।
পুরাতন সোনা কোথায় বিক্রি করবেন?
আপনারা যেই দোকান থেকে সোনা কিনেছেন সেই দোকান থেকে সোনা কেনার সময় অবশ্যই ক্যাশ মেমো নিতে ভুলবেন না এবং সোনা বিক্রি করতে গেলে ক্যাশ মেমো সহ সেই দোকানে গিয়ে যোগাযোগ করলে আপনারা সবথেকে বেশি দাম পাবেন।
বাংলাদেশের সোনার দাম কে নির্ধারণ করে?
বাংলাদেশের সোনার দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি অর্থাৎ বাজুস।
শেষ কথা
বন্ধুরা আপনাদের সকলকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে বর্তমান বাংলাদেশে পুরাতন গহনা সোনা বা ট্রাডিশনাল গোল্ডের মূল্য কত চলছে বাংলাদেশে তা জানার জন্য। আপনার যদি পুরাতন গহনা সম্পর্কিত কোন ধরনের জিজ্ঞাসা থাকে অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন প্রতিদিন বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের মূল্য,আজকের টাকার রেট ও নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারদরের আপডেট পেতে আবারো ভিজিট করবেন। আপনারা যদি প্রতিদিন আমাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আপডেট পেতে চান অবশ্যই নোটিফিকেশন অন করে রাখুন এবং যুক্তাতে ভুলবেন না আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যালেনে।

সৌভিক মাইতি
ব্লগ: Bajus আজকের সোনার দাম
সৌভিক মাইতি — একটি বাংলাদেশি ব্লগার ও ওয়েব ডেভেলপার। আমি প্রতিদিনের নতুন স্বর্ণের দর, বাজার বিশ্লেষণ এবং সোনার দর সম্পর্কিত নির্দেশিকা লিখি। আমার লক্ষ্য পাঠককে দ্রুত, সঠিক এবং ব্যবহারযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেয়া।