নমস্কার বন্ধুরা আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি আমাদের ওয়েবসাইটে বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের জানিয়ে দেবো আজ গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সময় অর্থাৎ আজ গঙ্গায় কখন জোয়ার এবং ভাটা হবে তা আপনাদের সাথে বিস্তারিত শেয়ার করব এছাড়া আপনাদের সুবিধার্থে গতকাল গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সময়সূচী সম্পর্কে তথ্য জানিয়ে দেবো। তো বন্ধুরা আপনারা যদি আজ এবং গতকালের গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান আপনাদের অনুরোধ করব আপনারা অবশ্যই আমাদের এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন এখানে আমি আপনাদের আজ এবং গতকাল গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সময় সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছি।

বর্তমান সময়ে প্রচুর মানুষ আছেন যারা গঙ্গায় নৌকো এবং মৎস্য শিকার করেন কিংবা ঘাট পারাপার করে থাকেন এছাড়া অন্যান্য কাজে জোয়ার ভাটার সময় সঠিক জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই প্রচুর মানুষ আছেন যারা প্রতিদিন গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সঠিক সময়সূচী কলকাতায় কখন আছে তা জানার জন্য ইন্টারনেটে খোঁজাখুঁজি করেন। তাই আপনাদের কোথাও যাবার দরকার নেই এখানে আমি আপনাদের আজ এবং আগামীকাল গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেছি।
আজকের গঙ্গার জোয়ার ভাটার সময়
| জোয়ার | সময় (IST)& তারিখ | উচ্চতা |
|---|---|---|
| ভাটা | ০০:১০ পূর্বাহ্ণ(শুক্রবার ২৬ ডিসেম্বর) | ১.৭৯ মি(৫.৮৭ ফুট) |
| জোয়ার | ৫:১২ পূর্বাহ্ণ(শুক্রবার ২৬ ডিসেম্বর) | ৪.১৪ মি(১৩.৫৮ ফুট) |
| ভাটা | দুপুর ১২:৩৯(শুক্রবার ২৬ ডিসেম্বর) | ১.৬৫ মি(৫.৪১ ফুট) |
| জোয়ার | ৫:৪২ অপরাহ্ণ(শুক্রবার ২৬ ডিসেম্বর) | ৩.৭৭ মি(১২.৩৭ ফুট) |
আগামীকালের জোয়ার ভাটার সময়
| জোয়ার | সময় (IST)& তারিখ | উচ্চতা |
|---|---|---|
| ভাটা | ০০:৪৭ পূর্বাহ্ণ(শনিবার ২৭ ডিসেম্বর) | ১.৮৭ মি(৬.১৪ ফুট) |
| জোয়ার | সকাল ৬:০৪(শনিবার ২৭ ডিসেম্বর) | ৩.৯২ মি(১২.৮৬ ফুট) |
| ভাটা | ১:১৬ অপরাহ্ন(শনিবার ২৭ ডিসেম্বর) | ১.৭ মি(৫.৫৮ ফুট) |
| জোয়ার | সন্ধ্যা ৬:৪৯(শনিবার ২৭ ডিসেম্বর) | ৩.৬৪ মি(১১.৯৪ ফুট) |
| জোয়ার | সময় (IST)& তারিখ | উচ্চতা |
|---|---|---|
| ভাটা | ১:৩০ পূর্বাহ্ণ(রবিবার ২৮ ডিসেম্বর) | ১.৯৫ মি(৬.৪১ ফুট) |
| জোয়ার | সকাল ৭:১৫(রবিবার ২৮ ডিসেম্বর) | ৩.৭১ মি(১২.১৭ ফুট) |
| ভাটা | ১:৫৮ অপরাহ্ন(রবিবার ২৮ ডিসেম্বর) | ১.৭৫ মি(৫.৭৪ ফুট) |
| জোয়ার | রাত ৮:২১(রবিবার ২৮ ডিসেম্বর) | ৩.৬৪ মি(১১.৯৪ ফুট) |
| জোয়ার | সময় (IST)& তারিখ | উচ্চতা |
|---|---|---|
| ভাটা | ২:২৪ AM(সোমবার ২৯ ডিসেম্বর) | ২.০৩ মি(৬.৬৬ ফুট) |
| জোয়ার | সকাল ৮:৪৬(সোমবার ২৯ ডিসেম্বর) | ৩.৬২ মি(১১.৮৮ ফুট) |
| ভাটা | দুপুর ২:৪৯(সোমবার ২৯ ডিসেম্বর) | ১.৮ মি(৫.৯১ ফুট) |
| জোয়ার | রাত ৯:৩৮(সোমবার ২৯ ডিসেম্বর) | ৩.৭৯ মি(১২.৪৩ ফুট) |
⭐ গঙ্গায় জোয়ার-ভাটা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গঙ্গা নদীতে জোয়ার-ভাটা মূলত চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টানের কারণে ঘটে। যদিও সমুদ্রের মতো প্রবল নয়, তবুও গঙ্গার মোহনা ও দক্ষিণাঞ্চলে জোয়ার-ভাটার প্রভাব বেশ চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু অংশে জোয়ার-ভাটার ওঠানামা প্রতিদিনের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।
চন্দ্রের প্রভাব সবচেয়ে বেশি
জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ হলো চাঁদের আকর্ষণ শক্তি। পূর্ণিমা ও অমাবস্যার সময় গঙ্গায় জোয়ার তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। এ সময় নদীর জলস্তর দ্রুত বেড়ে যায়।
দিনে দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা
গঙ্গার দক্ষিণাঞ্চলে সাধারণত দিনে দু’বার জোয়ার এবং দু’বার ভাটা দেখা যায়। এগুলিকে সেমিডায়ার্নাল টাইড বলা হয়। অর্থাৎ প্রায় ১২ ঘণ্টা ব্যবধানে জল বাড়ে আবার কমে।
মোহনা অঞ্চলে জোয়ার বেশি প্রবল
গঙ্গার মোহনা—বিশেষ করে ফোর্ট গ্লস্টার, আড়িয়াদহ, বাটানাঘাট, বাবুঘাট—এলাকাগুলোতে জোয়ারের প্রভাব বেশি। নদীর মোহনা সমুদ্রের কাছাকাছি হওয়ায় এখানকার জলস্তর মিনিটে মিনিটে পরিবর্তন হতে পারে।
নৌযান চলাচলে জোয়ার-ভাটার গুরুত্ব
গঙ্গায় বড় বড় কার্গো, ট্রলার বা লঞ্চ চলাচল অনেকটাই জোয়ার-ভাটার সময়সূচির উপর নির্ভর করে। কম জোয়ারে নৌকা আটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, আবার জোয়ারে জল বেড়ে গেলে চলাচল অনেক সহজ হয়।
কৃষিকাজেও ভূমিকা রাখে
গঙ্গার পাড়ের অনেক কৃষক জোয়ার-ভাটার উপর নির্ভর করে জমিতে জল আনা-নেওয়া করেন। বিশেষ করে নুনমিশ্রিত জল যেখানে পৌঁছে, সেখানে ভাটার সময় জমি প্রস্তুত করা সহজ হয়।
আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের ওপর প্রভাব
গঙ্গায় জোয়ার-ভাটা স্থানীয় আবহাওয়ার উপরও সামান্য প্রভাব ফেলে। বর্ষার সময় নদীর জলস্তর এমনিতেই বাড়ে, তার সঙ্গে শক্তিশালী জোয়ার মিললে অনেক জায়গায় প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হয়।
মোহনা অঞ্চলে ‘বোর টাইড’ দেখা যায়
গঙ্গার কিছু অংশে বিশেষ পরিস্থিতিতে যে আকস্মিক ঢেউ জমির দিকে ধেয়ে আসে তাকে বোর টাইড বলে। এটি খুবই বিরল ঘটনা, তবে ঘটলে নদীর ধার বসবাসকারীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য উপকারী
জোয়ার-ভাটার ওঠানামা নদীর লোনা-জলের ভারসাম্য বজায় রাখে। এর ফলে মাছ, কাঁকড়া, ম্যানগ্রোভের মতো বিভিন্ন জলজ পরিবেশ গড়ে ওঠে। সুন্দরবনের ইকোসিস্টেমও এই জোয়ার-ভাটার প্রাকৃতিক ছন্দের উপর নির্ভরশীল।
নদীর পলি জমা ও ক্ষয়
গঙ্গায় পলি জমার কতটা হবে, নদীর ধার কোন অংশ ভাঙবে বা গড়ে উঠবে—এর বড় অংশ জোয়ার-ভাটার গতিতে নির্ধারিত হয়। ভাটার সময় নদী পলি ফেলে রেখে যায়, আবার জোয়ারের সময় সেগুলো অন্যদিকে বয়ে নিয়ে যায়।
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব
হুগলি ও গঙ্গার ধারবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষরা আজও জোয়ার-ভাটার সময় অনুযায়ী কাজ ভাগ করেন—
- মাছ ধরার সময়
- ফেরি চলাচল
- নদীর ঘাটের ব্যবহার
সবকিছুই জোয়ার-ভাটার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলে।
বন্ধুরা আশা করছি আমাদের দেয়া তথ্য থেকে আপনারা আজ এবং আগামীকাল গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সময় সুচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য লাভ করেছেন। আপনারা যদি প্রতিদিন জোয়ার ভাটার সময়সূচী অর্থাৎ গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সঠিক সময় সম্পর্কে তথ্য জানতে চান আপনাদের অনুরোধ করবো আপনারা শুধুমাত্র ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট কারণ আমাদের ওয়েবসাইটেই সবার আগে প্রতিদিন জোয়ার ভাটার সময়সূচির আপডেট দেয়া হয়ে থাকে।
জোয়ার ভাটার সময় প্রতিদিন সমান থাকে না প্রতিদিন এই সময় পরিবর্তন হয় তাই আপনারা যদি প্রতিদিন জোয়ার ভাটা সহ আরো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আপডেট পেতে চান তাহলে আপনাদের অনুরোধ করব আপনারা অবশ্যই যুক্ত হয়ে যাবেন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যালেনে এখানে আপনারা প্রতিদিন এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের আপডেট পেয়ে যাবেন। আশা করি আমাদের দেয়া তথ্যে আপনারা সন্তুষ্ট এবং গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সঠিক সময়সূচী সম্পর্কে আপনারা সঠিক ধারণা লাভ করেছেন।
আপনাদের যদি কোন জায়গায় বুঝতে অসুবিধা হয় আপনাদের অনুরোধ করব আপনারা অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন এছাড়াও আমাদের দেয়া তথ্যটি ভালো লাগলে আপনাদের কাছে ছোট্ট একটি অনুরোধ অবশ্যই এই পোস্টটি শেয়ার করে দিন সকল প্রয়োজন বন্ধু-বান্ধবদের সাথে যাতে সকলেই আজ গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সঠিক সময়সূচী সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান লাভ করতে পারে।
গঙ্গায় জোয়ার-ভাটা — সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: গঙ্গায় জোয়ার-ভাটা কেন হয়?
গঙ্গায় জোয়ার-ভাটা মূলত চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টানের কারণে ঘটে। বিশেষ করে চাঁদের প্রভাবই বেশি। পূর্ণিমা আর অমাবস্যার সময় গঙ্গায় জোয়ার আরও প্রবল হয়ে দেখা যায়।
প্রশ্ন ২: গঙ্গায় দিনে কয়বার জোয়ার-ভাটা দেখা যায়?
সাধারণভাবে গঙ্গার দক্ষিণাঞ্চলে দিনে দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা দেখা যায়। মানে প্রায় প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর জল বাড়ে আবার কমে।
প্রশ্ন ৩: কোন কোন অঞ্চলে জোয়ার-ভাটার প্রভাব সবচেয়ে বেশি?
হুগলি নদীর মোহনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া এবং কলকাতার ঘাট এলাকা—এইসব জায়গায় জোয়ার-ভাটার প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
প্রশ্ন ৪: গঙ্গার জোয়ার-ভাটা কি নৌযান চলাচলে প্রভাব ফেলে?
হ্যাঁ, অনেকটাই ফেলে। বড় লঞ্চ, ট্রলার বা কার্গো সাধারণত জোয়ার থাকার সময়ই সহজে চলাচল করতে পারে। ভাটার সময় নৌকা আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই নৌ-সময়সূচি জোয়ার-ভাটার উপরেই নির্ভর করে।
প্রশ্ন ৫: কৃষিকাজে জোয়ার-ভাটা কীভাবে সাহায্য করে?
নদীর ধারের কৃষকেরা জোয়ার-ভাটার জলের ওঠানামা ব্যবহার করে জমিতে জল আনা-নেওয়া করেন। ভাটার সময় জমি শুকনো থাকে, আর জোয়ারের সময় কিছু এলাকায় নোনাজল ঢুকে জমির ধরণ বদলে দেয়, যা কিছু বিশেষ ফসলের জন্য উপকারী।
প্রশ্ন ৬: গঙ্গায় জোয়ার-ভাটা কি বন্যার কারণ হতে পারে?
বর্ষার সময় নদীর জল এমনিতেই বেশি থাকে। তার উপর যদি শক্তিশালী জোয়ার আসে, তাহলে কিছু নিচু এলাকায় প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হয়। তবে এটি সবসময় ঘটে না; বর্ষা + উঁচু জোয়ার একসাথে হলে ঝুঁকি বাড়ে।
প্রশ্ন ৭: গঙ্গায় ‘বোর টাইড’ বলতে কী বোঝায়?
বোর টাইড হলো এমন একটি ঘটনা যখন হঠাৎ করে ঢেউ উল্টো দিক থেকে তীরের দিকে ধেয়ে আসে। এটি খুবই বিরল হলেও ঘটলে নদীর পাড়ে থাকা মানুষের জন্য বিপদজনক হতে পারে।
প্রশ্ন ৮: জোয়ার-ভাটা কি গঙ্গার জীববৈচিত্র্যে কোনো ভূমিকা রাখে?
অবশ্যই রাখে। জোয়ার-ভাটার কারণে নদীর লোনা-জলের ভারসাম্য বজায় থাকে, ফলে মাছ, কাঁকড়া, চিংড়ি, ম্যানগ্রোভ—সবই একটি সুস্থ ইকোসিস্টেমে টিকে থাকে। সুন্দরবনও এই প্রাকৃতিক ছন্দের উপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন ৯: গঙ্গার পাড় ভাঙা বা পলি জমার সঙ্গে জোয়ার-ভাটার কি সম্পর্ক আছে?
হ্যাঁ, খুবই সরাসরি সম্পর্ক আছে। ভাটার সময় নদী পলি রেখে যায়, আর জোয়ারে সেগুলো অন্যদিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এর ফলে নদীর পাড় কোথাও ভাঙে, আবার কোথাও নতুন ভূমি তৈরি হয়।
প্রশ্ন ১০: মানুষের দৈনন্দিন জীবনে জোয়ার-ভাটার প্রভাব কীভাবে পড়ে?
নদীর ধারেকাছের মানুষরা আজও জোয়ার-ভাটার সময় অনুযায়ী কাজ করে।
মাছ ধরার সময়
ফেরি চলাচল
ঘাটে নৌকার ব্যবহার
সবকিছুই জোয়ার-ভাটার সঙ্গে মিলিয়ে নির্ধারণ করা হয়।
শেষ কথা
বন্ধুরা আপনাদের সকলকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আজ এবং আগামীকাল গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সময়সূচী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য লাভের জন্য। এছাড়াও আপনাদের যদি জোয়ার ভাটার সম্পর্কে কোন ধরনের জিজ্ঞাসা থাকে অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন। প্রতিদিন গঙ্গায় জোয়ার ভাটার সঠিক সময়ের আপডেট পেতে শুধুমাত্র ভিজিট করতে ভুলবেন না আমাদের ওয়েবসাইট। সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন প্রতিদিন এই ধরনের তথ্যের আপডেট পেতেই আবারো ভিজিট করবেন আমাদের ওয়েবসাইট।

সৌভিক মাইতি
ব্লগ: Bajus আজকের সোনার দাম
সৌভিক মাইতি — একটি বাংলাদেশি ব্লগার ও ওয়েব ডেভেলপার। আমি প্রতিদিনের নতুন স্বর্ণের দর, বাজার বিশ্লেষণ এবং সোনার দর সম্পর্কিত নির্দেশিকা লিখি। আমার লক্ষ্য পাঠককে দ্রুত, সঠিক এবং ব্যবহারযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেয়া।